Also read in

টান্টুর পীর আতাউর রহমান সাহেব চলে গেলেন, বরাকে শোকের ছায়া

হাইলাকান্দির টান্টুর পীরসাহেব নামে খ্যাত মৌলানা আতাউর রহমান চৌধুরী সাহেব গতকাল সন্ধ্যা ছয়টার একটু পরে ৬২ বছর বয়সে ইহলোক ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেছেন তিন পুত্র, দুই বিবাহিত মেয়ে , পাঁচ বোন, এক ভাই সহ অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন, অসংখ্য গুণমুগ্ধ ও অনুগামী।

আজ সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে মরহুম এর জানাজার নামাজ টান্টুর মাজার শরিফের সামনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে হাজার হাজার অনুগামী পীর সাহেবকে শেষ দেখা দেখার জন্য সমবেত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

উত্তর পূর্ব ভারতের প্রখ্যাত ইসলামী পন্ডিত মৌলানা আব্দুল আজিজ চৌধুরির সুযোগ্য পুত্র আলহাজ সুফি আতাউর রহমান চৌধুরী ১৯৮৪ সালে পিতার মৃত্যুর পর ক্রমান্বয়ে আধ্যাত্মিক সাধনার জগতে অবগাহন করতে শুরু করেন।

উল্লেখ্য বছর পাঁচেক আগে তিনি কলকাতার এক হাসপাতালে হার্টের বাইপাস সার্জারি করান । এরপর থেকে শিলচর এর বিশিষ্ট চিকিৎসক পি সি শর্মার তত্ত্বাবধানে ছিলেন। এবার মূলত ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটেছিল বলে জানা গেছে; সঙ্গে ছিল ডায়াবেটিস এবং হাই ব্লাড প্রেসার। তবে মৃত্যুর পূর্বে কোভিড পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে বলে জানা গেছে।

তার মৃত্যু সংবাদে সমস্ত বরাক উপত্যকার রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ দলমত নির্বিশেষে শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ তথা সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী সুস্মিতা দেব লিখেছেন, বরাক তথা সমগ্র আসামের অন‍্যতম বিদগ্ধ ধার্মিক ব‍্যক্তিত্ব হাইলাকান্দির লালার (টান্টু) আলহাজ আতাউর রহমান চৌধুরীর প্রয়াণে গভীর মর্মাহত। সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে উনার অবদান স্মরণ রাখবে বরাকবাসী।
উনার আত্মার চিরশান্তি কামনা করে শোকাহত পরিবারবর্গকে জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা।”

Comments are closed.