Also read in

বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, ন্যাশনাল হাইওয়ে রোডের বিশালের মৃতদেহ পাওয়া গেল সিন্দুরা পিকনিক স্পটে

পরিস্থিতি প্রতিকুল হলেও বেশ কিছু সংখ্যক তরুণ-তরুণী এখন চড়ুইভাতি (পিকনিক) পর্ব উপভোগ করে চলেছেন। তাদের কেউ বন্ধুদের সাথে, আবার কেউ তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে বাইরে যাচ্ছেন।

করোনা-আতঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় লকডাউন হয়ে যেতে পারে, এরকম সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে উৎসাহীরা ছুটে যাচ্ছেন পিকনিক স্পট গুলোতে। কালাইনের সিন্দুরা পিকনিক উৎসাহীদের জন্য অন্যতম হট স্পট। প্রবাহিত জলস্রোত, পাথর এই এলাকাকে কিছুটা অ্যাডভেঞ্চার সহ পিকনিকের জন্য একটি নিখুঁত জায়গা হিসেবে পরিগণিত করেছে। তবে দুঃসাহসিক কাজগুলি মর্মান্তিক, করুণ পরিণতি পেতে খুব বেশি সময় লাগে না।

বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, ন্যাশনাল হাইওয়ে রোডের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী বিশাল এন্দো রবিবার সিন্দুরা ১২ পিকনিক স্পটে গিয়েছিলেন। তার বন্ধুদের ভাষ্যমতে, রান্না শেষে তিনি স্নান করতে যাওয়ার পর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। কালাইন থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি নথিভুক্ত করা হয়েছিল এবং অবশেষে এসডিআরএফ এবং এনডিআরএফকে জানানো হয়েছিল।

বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। অবশেষে, আজ দ্বিপ্রহরে উদ্ধারকারী দল জলস্রোতের বিপরীতে একটি পাথরের সাথে আটকে থাকা বিশালের নিথর দেহ দেখতে পায়। সব শেষ, ২৫ বছর বয়সী তরতাজা এক যুবকের এক মর্মান্তিক করুণ পরিণতি হলো।

এই শোকাবহ পরিস্থিতিতে নিজ বাড়িতে এবং কালাইন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।

নিত্তনৈমিত্তিক রুটিনের বাইরে গিয়ে বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সাথে একদিন উপভোগ করাটা দারুণ মজার। তবে মনে রাখতে হবে মুহূর্তের ভুল সব মজাকে শেষ করে দিতে পারে, যেমনটি ঘটেছে বিশাল দেবের ক্ষেত্রে।

Comments are closed.