Also read in

এবার কালীপুজোয় মালুগ্রামের দ‍্য অ্যাপোসলস্ য়ের থিম - সবুজায়নে ব্যাঙের ভূমিকা

কালী পুজোয় মালুগ্রামের অ্যাপোসলস্ ক্লাবের পূজো সবসময়ই শিলচরের পুজো দর্শনার্থীদের কাছে এক বিশেষ আকর্ষণ। বিগত কয়েক বৎসর ধরেই পরিবেশ সচেতনতা নিয়েই কাজ করে চলেছেন এরা। এমনকি পুজোয় বাজি পটকাও ফোটানো হয় না।

এবারের কালী পুজোর ওদের থিম হচ্ছে, পরিবেশে ভারসাম্য বজায় রাখতে নগণ্য প্রাণী ব্যাঙেরও যে এক বিশাল ভূমিকা আছে তা নিয়ে। গতকাল এক সাংবাদিক সম্মেলনে তাদের এবারের পুজোর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরলেন ক্লাবের সভাপতি সত্যজিৎ দে, সম্পাদক সঞ্জয় দেবরায়, উপদেষ্টা পার্থঙ্কর চৌধুরী, কর্মকর্তা শ্রীকিষান দাস প্রমূখ।

কমিটির উপদেষ্টা আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী বললেন, “ব্যাঙ নগণ্য হলেও একে বলা হয় ‘থার্মোমিটার অব দ্য এনভায়রনমেন্ট’। পৃথিবীতে অসংখ্য কীটপতঙ্গ রয়েছে, ব্যাঙ এইসব কীটপতঙ্গ খেয়ে বেঁচে থাকে এবং পরিবেশকে রক্ষা করে। এসব সত্য শিশুদেরকে তুলে ধরা হবে এই থিমের মাধ্যমে। সম্পাদক সঞ্জয় দেবরায় এই প্রসঙ্গে জানান, “৩০ বছরে পা দেওয়া অ্যাপোসলস্ ক্লাবের এই পুজোয় এবার মন্ডপ প্রাঙ্গণে তৈরি করা হচ্ছে বিশাল বাগান এতে ‘লেজার শো’য়ের মাধ্যমে দেখানো হবে ব্যাঙ কিভাবে কীটপতঙ্গ খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।”

প্রতিমা শাস্ত্রীয় বিধি মেনেই তৈরি করা হচ্ছে; মণ্ডপসজ্জা সহ এই থিম কে বাস্তবে রূপ দিতে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপের শিল্পী পঞ্চানন দেবনাথ। এলইডি আলোর বিভিন্ন কারসাজি প্রদর্শনের কাজ রূপায়ণে আছেন নবদ্বীপের শিল্পী অজয় বর্মন। পুজোর বাজেট ৬ লক্ষ টাকা। পুজো কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা সন্দীপন এন্দো জানালেন যে শব্দ দূষণ নিয়েও সচেতনতা তৈরি করতে সবসময়ই প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে অ্যাপোসলস্ ক্লাব, ফলে গোটা চত্বরে কোন ধরনের আতশবাজি ফোটানো হবে না।

Comments are closed.